যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় বোমাবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত একটি আবাসিক ভবন ধসে পড়ে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে অবরুদ্ধ ছিটমহলটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধকালীন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে নিরবচ্ছিন্ন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযানের সর্বশেষ দৈনিক পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত হামলায় আরও ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৭১ জন আহত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর তথাকথিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেও ইসরায়েলি আগ্রাসন ও সহিংসতায় মোট ১,৩৮১ জন নিহত এবং ৪,৭৫৭ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সর্বাত্মক এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে এ পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭৩,৭৯৫ জনে। এছাড়া গুরুতর আহত হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন অন্তত ১,৭৪,৮৬৯ জন ফিলিস্তিনি।
মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধকালীন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে নিরবচ্ছিন্ন তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযানের সর্বশেষ দৈনিক পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত হামলায় আরও ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৭১ জন আহত হয়েছেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর তথাকথিত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেও ইসরায়েলি আগ্রাসন ও সহিংসতায় মোট ১,৩৮১ জন নিহত এবং ৪,৭৫৭ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সর্বাত্মক এই যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে এ পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭৩,৭৯৫ জনে। এছাড়া গুরুতর আহত হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন অন্তত ১,৭৪,৮৬৯ জন ফিলিস্তিনি।